মোবাইলে তোলা কিছু ছবির গল্প - Photo Gallary

ছবি অঙ্গন ফটো গ্যালারির "ছবির গল্প।
chobi angan photo gallery

কি অবস্থা সবার, কেমন আছেন!
মনখুলে হাসতে পারাটা বোধহয় এই পৃথিবীর কঠিন কাজের মধ্যে একটি,তাইনা! আমরা চাইলেই হুটহাট করে যখন তখন মন খুলে হাসতে পারিনা কেননা হাসি হল আনন্দের প্রতিক। 

গ্রামের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী - ভাংড়ি ক্রেতা
ভাংড়ি ক্রেতা।
গ্রামের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী তিনি। সারাদিন কাধে বাঁক নিয়ে গ্রামের প্রতিটি পাড়া মহল্লায় ঘুরে ঘুরে পুরাতন ভাংড়ি মাল কিনে থাকেন টাকা ও পাপড় ভাজা,বুট ভাজার বিনিময়ে। কখনো নিরাশ হননা তিনি। গ্রামীণ ঐতিহ্যের সাথে মিশে আছেন তিনি। ছবিতে তার চোখে মুখে দেখতে পাচ্ছেন আনন্দের ছাপ। লোকটি লাভ লছের মাঝেও সর্বদা হাসিখুশি থাকতে পছন্দ করে।

যশোরের গাছি রহিম বক্স
যশোরের শীতের সকাল।
যশোরের শীতের সকাল মানে সুমিষ্ট খেজুর রস। কাক ডাকা ভোরে গাছিরা বেরিয়ে পড়েন খেজুর রস সংগ্রহের জন্য। ছবিটি যশোরের মণিরামপুর উপজেলার আম্রঝুটা গ্রামের প্রবীণ একজন গাছির। তিনি প্রতি বছর কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে যশোরের যশ, খেজুরের রস এই প্রবাদটিকে টিকিয়ে রাখার চেষ্টা করে যাচ্ছেন। 

গ্রামের সাধারণ মানুষ - ছবি অঙ্গন
গ্রামের সাধারণ মানুষ।
হাতে কাচি কাধে একটি বস্তা আর পিছনে বিস্তৃত সবুজ ধান ক্ষেত। আবহমান গ্রাম বাংলার অতি পরিচিত একটি দৃশ্য এটি৷ ছবির মানুষটি গৃহপালিত পশুর জন্য ঘাস কাটতে বেরিয়েছে। জমির আইলের ঘাস পশু সাস্থের জন্য বেশ উপকারি। তিনি প্রতিদিন এভাবে কাচি আর বস্তা নিয়ে বেরিয়ে পড়েন মাঠ, বাগান, রাস্তায়।

শৈশবের স্কুল জীবন
স্কুল জীবনের ছবি।
শিক্ষায় জাতির মেরুদণ্ড, এই সমাজে টিকে থাকতে গেলে শিক্ষা লাভের কোন বিকল্প নেই। আজকের শিশু আগামীর বাংলাদেশ। ছেড়া স্কুল ব্যাগের সেফটিপিনের বন্ধনে জড়িয়ে আছে আগামীর সমাজ পরিবর্তনের স্বপ্ন। 



বড়শি দিয়ে মাছ ধরা
গ্রামের ফিসিং ম্যান ইকবাল
ছিপ বড়শির মাধ্যমে খাল বিলের দেশি কই, টাকি, পুটি মাছ ধরতে কারনা ভাল্লাগে বলুন! ঠিক তেমনই ভালো লাগা থেকেই ইকবালের ফিসিং একশন চলে সকাল থেকে বিকেল অব্দি। ছিপ দিয়ে মাছ ধরা ব্যপক ধৈর্যের কাজ তাইতো তিনি ধৈর্য ধরে এই কাজটি করেন প্রতিদিন।

মাছ ধরার ঘুনি
নেহালপুর হাটের ঘুনি।
আমাদের বাংলাদেশে অসংখ্য খাল, বিল, নদ-নদী রয়েছে যে কারণে, নদীমাতৃক বাংলাদেশ নামটি উঠে এসেছে। মাছে-ভাতে বাঙালীর ঐতিহ্যের যেন শেষ নেই। ছবিতে দেখতে পাচ্ছেন বিশেষ মাছ ধরার যন্ত্র। স্থানীয় ভাষায় এই যন্ত্রকে ঘুনি বলা হয়। খাল বিলের ছোট মাছ ধরার জন্য এই যন্ত্রের ব্যপক চাহিদা রয়েছে। ছোট কালভার্ট, পানিবন্দি জমির আইলে এই যন্ত্র পাতালে ঝিয়া,পুটি,মায়া মাছ,চিংড়ি ইত্যাদি মাছে পরিপূর্ণ হয় এটি।
ছবিটি যশোরের মণিরামপুর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী নেহালপুর বাজার থেকে তোলা।
মাটির ঘর ও কেরোসিন চালিত লম্প কুপি
মাঠির ঘরে কেরোসিনের প্রদীপ
মাঠির ঘর, অর্থাৎ কাদামাটির সমন্নয়ে নির্মিত ঘর। এই ঘর গুলো সাধারণত এখন তেমন দেখা যায়না। ঠান্ডা গরমে অত্যন্ত আরামদায়ক ছিলো এই ঘর। একটা সময় গ্রামের প্রায় প্রতিটি পরিবার বাস করতো মাটির ঘরে। তখনও ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ আসেনি। অন্ধকারে আলোর চাহিদা মেটাতো কেরোসিন তেলে চালিত এই লম্প/কুপি। এছাড়াও হারিকেন হ্যাছাক লাইট সহ কেরোসিন তেলে ব্যবহারীত অনেক ধরনের বাতি ছিলো। আমরা এই লম্পের আলোয় বই পড়তাম। মাটির ঘরের ভিতরে ও বাহিরে ঠিক বারান্দায় দরজা ও জানালার পাশে এরকম একটা কলেঙ্গা (মাঠির দেওয়ালে আলমারী) থাকতো। এখানে লম্প রাখা হত। এছাড়াও অন্যান্য কাজেও ব্যবহার হত। রাতের বেলায় হালকা বাতাসে লম্প নিভে যেত এই জন্য দেওয়ালের এই আলমারিতে লম্প রাখলে বাতাসে আর নিভতে পারতো না। পুরো ঘর আলোয় মিটমিট করতো"নব্বইয়ের স্মৃতি।

যাইহোক প্রিয় বন্ধুরা আজ এই অব্দি। আবারও কিছু ছবি নিয়ে তার গল্প শেয়ার হবে। সবাই সাথেই থাকুন।


Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url